মোঃ জসীম মিয়া
মাদারীপুর ।
আজ বুধবার ২১/১/২৬ তারিখ মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন বালিগ্রাম,কাজীবাকাই ও ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ করেন,মাদারীপুর জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) জনাব মোছাঃ জেসমিন আক্তার বানু।পর্যবেক্ষণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক জেসমিন আক্তার বলেন,গ্রাম আদালতের বিচার্য মামলা কোন ক্রমেই শালিস করা যাবেনা। বালিগ্রাম ইউনিয়নে প্রকল্প শুরু থেকে ডিসেম্বর ২৫ পর্যন্ত মোট ৭৩ টি মামলা দায়ের হয় এবং ৭৩ টি মামলাই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন হয়। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ২৯২০০০০ টাকা।
অপরদিকে কাজীবাকাই ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্প শুরু থেকে ডিসেম্বর ২৫ পর্যন্ত মোট মামলা দায়ের ৬৬ টি এবং নিষ্পত্তি ৬৬ টি ও বাস্তবায়ন করা হয় এবং মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৪১৭৪১০০ টাকা।
অপরদিকে ডাসার ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্প শুরু থেকে ডিসেম্বর ২৫ পর্যন্ত মোট মামলা দায়ের ৪৪ টি এবং উচ্চ আদালত থেকে প্রাপ্ত ১ টি সহ মোট ৪৫ টি মামলা তার মধ্যে ৪৫ টি মামলাই নিষ্পত্তি হয় এবং সবগুলো মামলাই বাস্তবায়ন হয়।মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৩৩০৭০০০ টাকা।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আরও বলেন, গ্রাম আদালতের সকল নথি রেজিস্টার হালনাগাদ রাখতে হবে। এজলাসে বসে গ্রাম আদালতের বিচার কাজ পরিচালনা করতে হবে। তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত অনধিক তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারবে। এখানে নামমাত্র ফি লাগে দেওয়ানি মামলার ফি ২০ টাকা এবং ফৌজদারি মামলার ফি ১০ টাকা। এ ছাড়া, এ আদালতে আর কোন টাকা-পয়সা লাগে না। তিনি বলেন, নির্ধারিত দিনে প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের শুনানির কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা প্রদান করেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের কার্যক্রম দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং মামলার আবেদন নিষ্পত্তির হার বাড়ানোর জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে যে এজলাস দেওয়া হয়েছে তা যথাযথভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এসি এলজি, স্থানীয় সরকার শাখা, মাদারীপুর,ডাসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জনাব মোঃ আল মামুন। আরও উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলার ডাসার ও কালকিনি উপজেলা গ্রাম আদালতের কো-অর্ডিনেটর জনাব নাসির উদ্দিন লিটন সহ তিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা,এএসিও সহ গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।